June 26, 2019
  • মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করছি : প্রধানমন্ত্রী
  • চলমান মামলা নিয়ে গণমাধ্যমে রিপোর্টে বাধা নেই: আইনমন্ত্রী
  • বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে দেশের সব বেসরকারি টিভি
  • কালশী থেকে বাউনিয়া খাল পর্যন্ত পাইপ ড্রেন
  • ঝড়ে বায়তুল মোকাররমে দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি
  • ধানের দাম কম হওয়ায় সরকার চি‌ন্তিত : কৃ‌ষিমন্ত্রী
  • রোববার থেকে অফিস করবেন ওবায়দুল কাদের
  • প্রথম জয়ের দিনে প্রথম শিরোপা বাংলাদেশের
  • রমজানে খাবার কেমন হবে
  • ‘আন্দোলনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে’

অভিযোগ: মাদক বিস্তারের দায় এড়াতেই ‘বন্দুকযুদ্ধ’


বার্তা৭১ ডটকমঃ বাংলাদেশে ‘মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধের নামে ১৩০ জনেরও বেশি মানুষের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের’ প্রতিবাদে ঢাকার শাহবাগের মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে শিল্পী, সাহিত্যিক, প্রকাশকসহ পেশাজীবীদের একটি দল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার মাদক বিস্তারের দায় এড়াতেই এবং মাদকের মূল উৎসকে আড়ালের জন্য এভাবে ‘হত্যাকাণ্ড’ চালাচ্ছে। তারা কথিত বন্দুকযুদ্ধের প্রতিটি ঘটনার স্বাধীন তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তিরও দাবি জানান।

এর মাত্র একদিন আগেই ঢাকার শাহবাগে ক্রসফায়ার বা কথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশ ভন্ডুল করে দিয়েছিলো র‍্যাব।

ওই একই দাবিতে শুক্রবার একই স্থানে পেশাজীবীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

আয়োজকদের একজন রবিন আহসান বলছেন, টেকনাফের কাউন্সিলর আকরামুল হকের পরিবার তাকে খুনের পর যে অডিও প্রকাশ করেছে – তাতে বন্দুকযুদ্ধের নামে গত সতের বছর ধরে কি হচ্ছে সেটি এখন সেটি প্রকাশ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশে গত মাসের মাঝামাঝিতে শুরু হওয়া মাদক বিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ১৩০ জনের বেশি মানুষ। পুলিশ এসব ঘটনাকে বন্দুকযুদ্ধ বললেও নিহত অনেকের পরিবারই দাবি করেছে যে তাদেরকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

আজকের সমাবেশের অংশ নেয়া মাহফুজা হক বলছেন, ক্রসফায়ারে অনেক নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে – কিন্তু দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অনেকে একে সমর্থন করে।

এবারের অভিযানে যখন প্রতিদিন গড়ে ৮/১০টি করে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হবার ঘটনা ঘটছিলো – তখনই টেকনাফের কাউন্সিলর আকরামুল হক নিহত হবার পর পরিবারের প্রকাশ করা অডিও বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ করে অনেককেই।

সে কারণেই সমাবেশে অংশ নেয়া নুফাত বিনতে রাব্বানি বলছেন, মাদক বন্ধ করতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকেও দৃষ্টি দিতে হবে।

তিনি বলেন, পুলিশ বা সীমান্ত রক্ষীদের সহায়তা ছাড়া তো মাদকের এমন বিস্তার সম্ভব নয়। এতো মাদক আসে কিভাবে, কিভাবে ছড়িয়ে পড়ে – সেটাও তো দেখতে হবে।

আর রাজনৈতিক কর্মী শরিফুজ্জামান শরীফ বলছেন, সরকার তার ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে বলেই এতো মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।

আর লেখক রাখাল রাহা বলছেন, যেসব আইন এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেয় সেগুলোকেই পাল্টাতে হবে বাংলাদেশকে আইনের শাসনে ফিরিয়ে আনার জন্য।

তিনি বলেন, যেসব আইন দিয়ে কর্তৃপক্ষ এগুলো বৈধ করে সেগুলো পাল্টাতে হবে। সেজন্যই সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তবে বাদপ্রতিবাদ যাই হোক – বন্ধ নেই বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারানোর ঘটনা।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতেও মাদক বিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন আরো অন্তত ৩ জন। সূত্র: বিবিসি

বিভাগ - : মতামত

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন