April 19, 2019
  • সব ধরনের ঋণে সুদহার ৭ শতাংশ
  • উভয়কামী এই নায়িকাকে মেনে নেয়নি পরিবার
  • সোনালী ব্যাংকের জিএমসহ ১২ জনের নামে দুদকের চার্জশিট
  • ধামরাইয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী ভুয়া অধ্যাপক!
  • টুঙ্গিপাড়ায় ভোট পুনঃগণনার দাবিতে সড়ক অবরোধ-সংবাদ সম্মেলন
  • এইচএসসি পরীক্ষায় ৬ মে পর্যন্ত বন্ধ কোচিং
  • বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ
  • নিউইয়র্কে মুসলমানদের নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন
  • বাজারে মিলবে টাইগারদের জার্সি
  • বলিউডের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রী কঙ্গনাই!

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সমাবেশ ও অনশন কর্মসূচি


বার্তা৭১ ডটকমঃপ্রায় পাঁচ মাস ধরে কারান্তরীণ থাকা দলীয় চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ৫ জুলাই বৃহস্পতিবার সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ এবং ৯ জুলাই সোমবার ঢাকায় প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

সোমবার রাতে গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়ার আইনি বিষয় নিয়ে কথা বলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনি আচরণ এখন নির্বাহী ক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে।

বিএনপি মহাসচিব সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। তার যে জামিন, যে সুবিধা পাওয়ার কথা সেটা না দিতে সরকার ন্যাক্কারজনকভাবে অপকৌশল গ্রহণ করছে। সরকার এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে চায়। হাইকোর্টে তার মূল মামলায় জামিন হলেও বেরুতে পারছেন না ম্যাডাম।

মির্জা আলমগীর বলেন, অনেকগুলো মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে মিথ্যে ঘটনার ওপর আসামি করা হয়েছে। জামিন বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে কারাগারে দীর্ঘস্থায়ীভাবে আটক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এহেন কাজে আমরা ঘৃণা ও অবিলম্বে ন্যাক্কারজনক কাজ থেকে বিরত থাকতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

বেগম খালেদা জিয়ার আইনি প্রাপ্যতা দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মির্জা আলমগীর। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মামলাগুলোর ব্যাপারে যে আচরণ, তাতে সর্বোচ্চ আদালতের ওপর আস্থায় চিড় ধরে গেছে।

কর্মসূচির বিষয়ে মির্জা আলমগীর জানান, আগামী ৫ জুলাই বৃহস্পতিবার সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জেলায় জেলায় ও সদরগুলোতে সুবিধামতো কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ১১টায় সমাবেশ হবে।

এরপর ৯ জুলাই সোমবার প্রশাসনের অনুমতিসাপেক্ষে অনশন পালন করা হবে। রাজধানীর প্রেসক্লাব বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সামনে তা অনুষ্ঠিত হবে।

বিভাগ - : রাজনীতি

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন