July 6, 2020
  • ধাপে ধাপে খোলা হবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
  • জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী
  • করোনায় আক্রান্ত ঢাবি অধ্যাপক, বাসা লকডাউন
  • এসএসসি-সমমানের ফল প্রকাশ
  • ১৫ জুন পর্যন্ত যে যে শর্ত মানতে হবে
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসার ৪ কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত
  • ১৫ জুন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ
  • সরকারি টেস্টেও ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পজিটিভ
  • রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী মিরপুরে
  • মার্কেট ও দোকানপাট খোলার সংখ্যা বাড়ছেই

৯০ জনের শরীরে এইডস ছড়িয়ে গ্রেপ্তার ‘পাকিস্তানি চিকিৎসক’

বার্তা৭১ ডটকমঃ এইচআইভি দূষিত সিরিঞ্জ ব্যবহার করে ৯০ জন রোগীর শরীরে এইডসের জীবাণু ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন পাকিস্তানের এক চিকিৎসক৷ এইচআইভি সংক্রমিত এই মানুষদের মধ্যে ৬৫ জনই শিশু৷

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক মুজাফফর ঘাংরো নিজেও এইচআইভি সংক্রমিত৷ লারকানার পুলিশ প্রধান কামরান নওয়াজ বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ওই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছি৷ আমাদেরকে বলা হয়েছে তারও এইচআইভি রয়েছে৷’

গত সপ্তাহে লারকানার উপকণ্ঠে ১৮ শিশুর শরীরে এইচআইভি পাওয়ার পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের৷ এরপর স্বাস্থ্য বিভাগ বড় পরিসরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালে সংখ্যাটি কয়েক ডজন বেড়ে যায়৷ লারকানার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুল রেহমান বলেন, ‘পরীক্ষায় ৯০ জন এইচআইভি পজিটিভ হয়েছে৷ তার মধ্যে ৬৫ জন শিশু।’

এরপর একজন ডাক্তারের কারণেই অন্তত ৯০ জনের দেহে এইচআইভি ছড়ানোর বিষয় জানার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ৷ ওই ডাক্তার জীবাণুযুক্ত সিরিঞ্জ ব্যবহার করেছেন বলে ধারণা তাদের৷

এদিকে এইডস ছড়ানোর অভিযোগকে সিন্ধু স্বাস্থ্য কমিশনের ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন গ্রেপ্তার হওয়া চিকিৎসক মুজাফফর ঘাংরো৷ নিজের এইচআইভি সম্পর্কেও জানতেন না বলে দাবি তার৷ সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সিন্ধু স্বাস্থ্য কমিশন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে৷ আমি যদি জানতাম আমার এইচআইভি/এইডস আছে, তাহলে নিশ্চয় চিকিৎসা নিতাম।’

পাকিস্তানের জিও নিউজ জানিয়েছে, ২০০৬ সালে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও ১৩ বছর ধরে সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন ডা. মুজাফফর ঘাংরো৷

পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের সিন্ধু প্রদেশে এক লাখের বেশি এইচআইভি পজিটিভ লোক আছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কর্মকর্তা সিকান্দার মেমন৷ তবে সরকারিভাবে নিবন্ধিত রোগীর সংখ্যা মাত্র ১০ হাজার ৩৫০ জন৷ নিবন্ধিত ২ হাজার ৪০০ জন রোগী নিয়ে এইডস আক্রান্তের দিক থেকে সিন্ধু প্রদেশে শীর্ষে রয়েছে লারকানা জেলা৷

বিভাগ - : আন্তর্জাতিক, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

কোন মন্তব্য নেই

মন্তব্য দিন