বার্তা৭১ ডটকমঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সেখানে ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ অভিযোগ করেন।
রিজভী আহমেদ বলেন, খুলনা সিটি নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ তল্লাশীর নামে তাণ্ডব চালাচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে দুই শতাধিক নেতাকর্মীর বাসায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সাতজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। সেখানে এক ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে।
অথচ পুলিশ কমিশনার নাকি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। তাহলে প্রশ্ন বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর এসব নির্যাতন ও জুলুম কার নির্দেশে সংঘটিত হচ্ছে? বলেন রিজভী আহমেদ।
রিজভী আহমেদ আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে ৭ মে সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশ করতে গিয়ে হবিগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফেনীতে জেলা ছাত্রদল নেতা লুৎফর রহমান রতনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
এছাড়া নেত্রকোণা জেলাধীন আটপাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এম জি হায়দার শামীমকে ৬ মে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। জাগপা কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুজ্জামান কবীরকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এছাড়া ৭ মে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল সভাপতি রফিকুল আলম মজনুর বাসভবনে তল্লাশির নামে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় বলে দাবি করেন রিজভী।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সামিউল আলমের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, আজ সকালে হাসপাতালে যাওয়ার সময় দোয়েল চত্বরে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা করেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। হত্যার উদ্দেশ্যেই তার ওপর এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। অবিলম্বে সামিউল আলমের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান রিজভী।