বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নষ্ট রাজনীতিকরা নষ্ট রাজনীতিকে বাঁচিয়ে রাখে। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকে ভালো ও মেধাবীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। নতুবা খারাপ লোকদের হাতে রাজনীতি থাকলে দেশ খারাপ থাকবে। বাংলাদেশ ছাত্র রাজনীতির সুনামের ধারা হারিয়ে গেছে। খারাপ লোকদের হাতে রাজনীতি থাকলে দেশটির খারাপ হয়ে যাবে। ভালো,সৎ ও মেধাবীদের রাজনৈতিক আনতে হবে, না হয় রাজনীতি চরিত্রহীন হয়ে যাবে।
৮ জানুয়ারি,২০২৩,রবিবার, দুপুরে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি-জে,পি’র ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের হত্যাকান্ড বিশ্বের ইতিহাসে বিরল, ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশ উল্টো পথে চলেছে, বিপ্লবের বদলে প্রতিবিপ্লব হয়েছে। আমাদের জাতীয় ৪ নেতার হত্যার মাধ্যমে এদেশের রাজনীতিতে রাজনৈতিক দেয়াল তৈরি হওয়া শুরু হলো, ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মধ্য দিয়ে সেই দেয়াল আরো উচ্চ হলো।
এদেশের রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতিতে শান্তির সেতু নির্মাণ করতে ব্যার্থ হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশের গনতন্ত্রকে বাঁচাতে শক্তিশালী বিরোধীদল প্রয়োজন। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে। বিজয়কে সুসংহত করতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচাতে হবে। দেশের উন্নয়নকে বাঁচাতে হলে ক্ষমতার মঞ্চে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, মান অভিমান ভুলে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে।
বিএনপি জামাতের ষড়যন্ত্রর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে হাসানুল হক ইনু বলেন, রাষ্ট্র মেরামতের জন্য বিএনপি যে ২৭ দফা দাবি দিয়েছে, তা মূলত তাদের নিজেদের মেরামত করার জন্যই।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, ডক্টর কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জোটে যোগ দেওয়া ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
জাতীয় পার্টি-জে,পি’র ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ন্যাপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলামসহ প্রমুখ।












