Barta71.com
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • অন্যান্য
    • লাইফস্টাইল
    • আইন ও অপরাধ
    • সাক্ষাতকার
    • আঞ্চলিক সংবাদ
    • পরিবেশ ও জলবায়ু
    • মতামত
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • অন্যান্য
    • লাইফস্টাইল
    • আইন ও অপরাধ
    • সাক্ষাতকার
    • আঞ্চলিক সংবাদ
    • পরিবেশ ও জলবায়ু
    • মতামত
No Result
View All Result
Barta71.com
No Result
View All Result
Home এক্সক্লুসিভ

বাংলাদেশকে নিয়ে চীন-ভারত দ্বন্দ্ব, কী হচ্ছে নেপথ্যে?

Barta71.com by Barta71.com
in এক্সক্লুসিভ
0
বাংলাদেশকে নিয়ে চীন-ভারত দ্বন্দ্ব, কী হচ্ছে নেপথ্যে?
Share the News


বার্তা৭১ ডটকমঃ এশিয়ার সবচেয়ে বড় দুই শক্তি চীন এবং ভারত সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে, বাংলাদেশের গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে তার নজির সম্ভবত নেই।

এই দ্বন্দ্ব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এত তীব্র রূপ নিয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ে যারা গবেষণা করেন, এ বিষয়ে তাদের মধ্যেও ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

কেবল এ সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র এবং অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান এ নিয়ে দুটি লেখা প্রকাশ করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইস্ট এশিয়া ফোরামে’র প্রকাশিত নিবন্ধটির শিরোনাম, “চায়না অ্যান্ড ইন্ডিয়া’স জিওপলিটিক্যাল টাগ অব ওয়ার ফর বাংলাদেশ”। অর্থাৎ বাংলাদেশ নিয়ে চীন এবং ভারতের ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব যুদ্ধ।”

আর নিউইয়র্কভিত্তিক ‘ওয়ার্ল্ড পলিসি রিভিউ’ ঠিক এ বিষয়েই ‘উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলারসের’ একজন গবেষকের অভিমত ছেপেছে।

তাদের লেখাটির শিরোনাম, হোয়াই ইন্ডিয়া অ্যান্ড চায়না আর কম্পিটিং ফর বেটার টাইস উইথ বাংলাদেশ। অর্থাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়তে কেন ভারত আর চীনের মধ্যে এত প্রতিদ্বন্দ্বিতা?

দুটি লেখাতেই বাংলাদেশের সঙ্গে চীন এবং ভারতের সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য, নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাংলাদেশর রাজনীতি ও নির্বাচন এবং দেশটির ওপর প্রভাব বিস্তারের জন্য এই দুই বৃহৎ শক্তির দ্বন্দ্বের বিষয়ে বেশকিছু পর্যবেক্ষণ এবং বিশ্লেষণ রয়েছে।

ভারত এবং চীন, দুটি দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের রয়েছে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক এবং সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ক।

তবে এর মধ্যে ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কারণে ভারতের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্কটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

ইস্ট এশিয়া ফোরামে প্রকাশিত লেখায় ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় দুটি দেশই মূলত বাণিজ্যকেই ব্যবহার করতে চাইছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুটি দেশই সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। দুটি দেশেরই বিপুল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত আছে বাংলাদেশের সঙ্গে। দুই দেশের বাণিজ্যের একটি তুলনামূলক চিত্র তারা তুলে ধরেছেন তাদের লেখায়।

চীন বাংলাদেশে রফতানি করে প্রায় ১৬ হতে ১৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, অথচ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে মাত্র ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য।

বাংলাদেশকে তারা বছরে একশো কোটি ডলারের সাহায্য দেয়। তবে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২৪ বিলিয়ন বা দুই হাজার ৪০০ কোটি ডলারের সাহায্য দেয়ার কথা ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশে রফতানি করে বছরে প্রায় আট বিলিয়ন ডলারের পণ্য। কিন্তু আমদানি করে মাত্র ২৬ কোটি ডলারের।

কিন্তু দুদেশের মধ্যে অনেক ‘ইনফরমাল ট্রেড’ বা অবৈধ বাণিজ্য হয়, যা মূলত ভারতের অনুকূলে।

এর পরিমাণ কমপক্ষে দুই হতে তিন বিলিয়ন ডলারের সমান হবে বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে যে ভারতীয়রা কাজ করেন তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণও হবে দুই হতে চার বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশকে ভারত যে বৈদেশিক সহায়তা দেয় বছরে তার পরিমাণ ১৫ কোটি ডলারের মতো।

দুটি দেশই বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে ব্যাপক সাহায্যের প্রস্তাব দিচ্ছে। বাংলাদেশে বড় আকারে রেল প্রকল্পে আগ্রহী দুটি দেশই।

গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনেও ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে উভয় দেশের। কিন্তু এসব প্রকল্প খুব বেশি ওগোচ্ছে না। ভারত বাংলাদেশের সুন্দরবনের কাছে যে কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পেয়েছে সেটি বেশকিছু বাস্তব এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, অবকাঠামো খাতে চীন-ভারতের এই প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশ খুব একটা লাভবান হয়নি।

অন্যদিকে বাংলাদেশের ম্যানুফাকচারিং এবং জ্বালানি খাতে চীন বা ভার, কেউই বড় কোনো বিনিয়োগে যায়নি। যদিও তারা এ ধরনের বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে।

চীন বহু বছর ধরেই বাংলাদেশের সামরিক খাতে বড় সরবরাহকারী। ভারত এক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিল, এখন তারা দ্রুত চীনকে ধরতে চাইছে। কিন্তু ভারতের সামরিক সরঞ্জামের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে বাংলাদেশের।

চীনের তুলনায় ভারত যেদিকে এগিয়ে আছে, তা হলো বাংলাদেশের ওপর তাদের সাংস্কৃতিক প্রভাব। ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, এই প্রভাব খুবই ব্যাপক। দুই দেশের রয়েছে অভিন্ন ভাষা (বাংলা) এবং সংস্কৃতি, এবং এর একটি বড় কেন্দ্র এখনো কলকাতা। বাংলাদেশের অন্তত এক লাখ ছাত্রছাত্রী ভারতের স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে।

এর বিপরীতে চীনের সাংস্কৃতিক প্রভাব নগণ্য। ঢাকায় চীন একটি কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে চীনা ভাষা শেখানো হয়।

ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক বলছেন, বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে এই ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ কোন নিষ্ক্রিয় ‘ভিকটিম’ নয়, বরং নিজের কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ এটি আরও উসকে দিচ্ছে।

তারা বলছেন, বাংলাদেশে এ নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে যে দুটি দেশই আসলে বাংলাদেশকে যা দেয়, তার উল্টো অনেক বেশি নিয়ে যাচ্ছে। আর তাদের অবকাঠামো এবং ম্যানুফ্যাকচারিং প্রকল্পগুলো খুব নিম্নমানের (জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনায়)।

রোহিঙ্গা সংকটও বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিয়েছে চীন এবং ভারত আসলে কেবল ‘সুদিনের বন্ধু। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে যে কোন পদক্ষেপ চীন আটকে দিচ্ছে।

এটাকে বাংলাদেশ বন্ধুত্বসুলভ কোন কাজ বলে মনে করে না। অন্যদিকে ভারতের অবস্থাও ভালো নয়। তারাও এই ইস্যুতে মিয়ানমারকে মদদ দিয়ে যাচ্ছে।

ফরেস্ট কুকসন এবং টম ফেলিক্স জোয়েনক তাদের উপসংহারে বলছেন, চীন আর ভারত সর্বোতভাবে চেষ্টা করবে বাংলাদেশের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় কে কার আগে থাকতে পারে।

কিন্তু তাদের উভয়েই ব্যর্থ হবে, কারণ বাংলাদেশও এখন এ নিয়ে এক দেশকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে খেলানোর মাধ্যমে এখান থেকে তাদের প্রাপ্য আদায়ের চেষ্টা করবে।

তাহলে বাংলাদেশকে নিয়ে চীন-ভারত দ্বন্দ্বের ফল ভবিষ্যতে কী দাঁড়াবে?

তারা মনে করেন, শেষ পর্যন্ত এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে দুই দেশের বাণিজ্য নীতি। দুটি দেশের কোনোটিই বাংলাদেশকে রফতানির ক্ষেত্রে কোনো ছাড় এখনো পর্যন্ত দিচ্ছে না। দুটি দেশই বাংলাদেশে রফতানির ক্ষেত্রে ব্যাপক ‘আন্ডার ইনভয়েসিং’ এর সুযোগ দিচ্ছে, যেটি কিনা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মনীতির লঙ্ঘন। যত অর্থ তারা বাংলাদেশকে ঋণ দেয়, তার চেয়ে আরও অনেক বেশি অর্থ তারা নিয়ে নেয় এভাবে।

কিন্তু এক্ষেত্রে চীন আছে সুবিধাজনক অবস্থানে। তাদের অর্থনীতি ভারতের তুলনায় অনেক বড়। বাণিজ্যেও তারা এগিয়ে। কাজেই বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের জন্য চীন যদি কোনোদিন তাদের বাজার খুলে দেয়, এই চীন-ভারত দ্বন্দ্বে সুস্পষ্টভাবেই চীন জয়ী হবে, বাংলাদেশ ঝুঁকে পড়বে তাদের দিকেই।

‘প্রতিদ্বন্দ্বিতাই শেষ কথা নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের উড্রো উইলসন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্কলারসে’র মাইকেল কুগেলম্যান অবশ্য বিষয়টিকে দেখেন ভিন্নভাবে।

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশকে নিয়ে চীন এবং ভারতের এ রকম প্রতিযোগিতার কোনো প্রয়োজনই নেই। দুটি দেশই আসলে একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে।

এক্ষেত্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদাহরণ টেনেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের ঘনিষ্ঠতা বহু বছর ধরেই বাড়ছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক উন্নয়নের পথে বাধা হয়নি।

তিনি আশা করছেন, দিল্লির একসময় এই বাস্তবতা মেনে নেবে যে, ঢাকা অবশ্যই চীনের পুঁজি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করবে। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চাইবে।

তবে এক্ষেত্রে ভারত শুধু চীনের কাছ থেকে একটা নিশ্চয়তা চাইতে পারে- এই সহযোগিতা যেন কেবল অর্থনৈতিক খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে, তারা যেন বঙ্গোপসাগরে কোনো ধরনের নৌ-স্থাপনা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর না হয়।

কিন্তু ভারতকে এ রকম কোনো নিশ্চয়তা চীন কি দেবে? সেটার কোনো ইঙ্গিত কিন্তু এখনো নেই। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

Previous Post

গাজীপুরে জামায়াত-শিবিরের ৪৫ নেতাকর্মী আটক

Next Post

বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা বিনিময় করবে বিএনপি

Barta71.com

Barta71.com

Next Post
বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা বিনিময় করবে বিএনপি

বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা বিনিময় করবে বিএনপি

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Follow Us

  • Trending
  • Comments
  • Latest
যৌন মিলনে পুরুষদের স্থায়িত্ব আসলে কয় মিনিট?

যৌন মিলনে পুরুষদের স্থায়িত্ব আসলে কয় মিনিট?

কুমিল্লায় ‘বাংলা নীল ছবি’

কুমিল্লায় ‘বাংলা নীল ছবি’

মনোনয়ন পাচ্ছেন নানক-রহমান-নাছিম-মোজাম্মেল হক

মনোনয়ন পাচ্ছেন নানক-রহমান-নাছিম-মোজাম্মেল হক

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর বিখ্যাত সেই উক্তি

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর বিখ্যাত সেই উক্তি

দুষ্টু’ শেয়ারবাজার দমনে ‘ওষুধ’ আসছে: অর্থমন্ত্রী

দুষ্টু’ শেয়ারবাজার দমনে ‘ওষুধ’ আসছে: অর্থমন্ত্রী

26
ডলার। ডুল্যান্সার

ডলার। ডুল্যান্সার

7
তাবলীগ জামাত না কি জঙ্গিবাদ?

তাবলীগ জামাত না কি জঙ্গিবাদ?

6

হরতাল

5

শিগগিরই শেষ হচ্ছে ইরানে আগ্রাসন : ট্রাম্প

কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের সংক্রমণ : হাসপাতালে ভর্তি ৬৩ শিশু

শাহজালালের থার্ড টার্মিনালের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

শাহজালালের থার্ড টার্মিনালের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Barta71.com

Online Newspaper in Bangladesh

ক্যাটাগরি সমুহ

  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • আঞ্চলিক সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক
  • এক্সক্লুসিভ
  • খেলা
  • জাতীয়
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • পরিবেশ ও জলবায়ু
  • বিনোদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাক্ষাতকার
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

সাম্প্রতিক খবর

শিগগিরই শেষ হচ্ছে ইরানে আগ্রাসন : ট্রাম্প

কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের সংক্রমণ : হাসপাতালে ভর্তি ৬৩ শিশু

  • প্রচ্ছদ
  • আমরা
  • যোগাযোগ

© 2020 বার্তা ৭১ ডট কম কর্তৃক সকল সত্ত্ব সংরক্ষিত।

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • লাইফস্টাইল
  • আইন ও অপরাধ
  • সাক্ষাতকার
  • আঞ্চলিক সংবাদ
  • পরিবেশ ও জলবায়ু
  • মতামত

© 2020 বার্তা ৭১ ডট কম কর্তৃক সকল সত্ত্ব সংরক্ষিত।