বার্তা৭১ ডটকমঃ আইনজীবীদের বিক্ষোভের মুখে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরকে ছুটিতে পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাকে দুই দিনের ছুটিতে পাঠানো হয়।
এক আইনজীবীকে দুই ঘণ্টা লকআপে আটকে রাখায় বুধবার আদালতের গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন আইনজীবীরা। তারা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরকে অপসারণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
এ সময় সিএমএম আদালতের বিচারকাজ বন্ধ হয়ে যায়। আদালতের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
আইনজীবীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর আইনজীবীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে আসছেন। তিনি অদৃশ্য কোনো শক্তির আশ্রয়ে ঢাকার আদালত পাড়ায় রয়ে গেছেন বলে জানান তারা।
জানা গেছে, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য রুবেল আহমেদ ভূঁইয়া ২২ ডিসেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে মামলা করতে যান। এরপর পেশকারকে জিজ্ঞেস করেন কয়টার সময় বিচারক এজলাসে আসবেন।
পেশকার বললেন, ‘সাড়ে ১০টায় বিচারক এজলাসে উঠবেন। কিন্তু ১১টার পরেও বিচারক এজলাসে না আসায় এই আইনজীবী পেশকারকে বলেন সঠিক সময় বলবেন।
এরপর আদালত এজলাসে আসার পর মামলা শুনানির জন্য ডাক দিলে ওই আইনজীবী সামনে যান। তখন বিচারক ভুক্তভোগী আইনজীবীকে বলেন, আপনি কোর্টে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। তখন ওই আইনজীবী বলেন যে তিনি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন নি।
এরপর বিচারক বলেন, আমি আপনার মামলা শুনবো না। তখন পুলিশ ওই আইনজীবীকে ডেকে লকআপে ভেতর দুই ঘণ্টা আটকে রাখে।
এই বিষয়ে গতকাল ২২ ডিসেম্বর এই আইনজীবী ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করা হয়।










