
পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর ‘করবী’ ছাত্রী নিবাসে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে বিছানায় প্রস্রাব করার অভিযোগে লবণ মাখিয়ে নিজের প্রস্রাব জোর করে খাওয়ানোর ঘটনায় ভারতজুড়ে তোলপাড় চলছে। বিশ্বভারতী গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ঘটনার সত্যতা জানার পর কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ওয়ার্ডেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন। তবে সোমবার অভিযুক্ত ওয়ার্ডেন উমা পোদ্দার থানায় আত্মসমর্পণ করেন। এরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওয়ার্ডেনকে বোলপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনে মুক্তি দিয়েছেন। তবে বিচারক মন্তব্য করেছেন যে, এ ধরনের ঘটনা জঘন্য ও নিন্দনীয়। ছাত্রীর চিকিৎসার সব খরচ বহন করতে হবে বিশ্বভারতীকে এবং যাবতীয় খরচ ওয়ার্ডেনের বেতন থেকে কাটারও রায় দিয়েছেন তিনি। পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন বিচারক। কলকাতার কয়েকজন আইনজীবী এদিন কলকাতা হাইকোর্টে এ নিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা করেছেন। তবে বিশ্বভারতী নির্যাতিত বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করাকে ঘটনা থেকে চোখ সরিয়ে দেয়ার অপপ্রয়াস বলে মনে করছেন অনেক অভিভাবক। তবে এদিন দুপুরে বিশ্বভারতীর অভিযোগের ভিত্তিতে নির্যাতিত ছাত্রীর বাবা-মাকে বিশৃঙ্খলতা ও পরিবেশ ‘নষ্ট’ করার জন্য গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে তাদের আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ছাত্রীর বাবা-মাকে নিঃশর্তে মুক্তি দিয়েছেন। ইতিমধ্যে ঘটনার কারণ জানতে চেয়ে জাতীয় শিশু রক্ষা কমিশন (এনসিপিআর) নোটিস পাঠিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে।










