Barta71.com
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • অন্যান্য
    • লাইফস্টাইল
    • আইন ও অপরাধ
    • সাক্ষাতকার
    • আঞ্চলিক সংবাদ
    • পরিবেশ ও জলবায়ু
    • মতামত
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • অন্যান্য
    • লাইফস্টাইল
    • আইন ও অপরাধ
    • সাক্ষাতকার
    • আঞ্চলিক সংবাদ
    • পরিবেশ ও জলবায়ু
    • মতামত
No Result
View All Result
Barta71.com
No Result
View All Result
Home মতামত

একজন বিদেশি বীরপ্রতীকের গল্প

Barta71.com by Barta71.com
in মতামত
0
একজন বিদেশি বীরপ্রতীকের গল্প
Share the News


বার্তা৭১ ডটকমঃ কিছুদিন আগে ইসলামাবাদে পাকিস্তানি বুদ্ধিজীবী লেখকদের এক সভায় বাংলাদশের ভূয়সী প্রশংসার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে বয়স্ক এক ভদ্রলোক আমাদের নারী নেতৃত্বের উন্নতি, শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা আর নারীদের কারণে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলছিলেন বারবার। তিনি আমাদের মুদ্রায় মা-ছেলের বই পাঠ করার ছবিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, এখানেই বোঝা সম্ভব কেন বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে। তার কথার মূল বিষয় ছিল নারী উন্নয়ন ও তাদের অগ্রযাত্রার কারণেই বাংলাদেশ উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে। তার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক। এ কথা সত্যি হলেও দেশে এক শ্রেণির ধর্মান্ধ উন্মাদেরা তা মানে না। তাদের সবকিছু একমুখি আর একপেশে। এরা ধর্মের নামে আচরণ ও সংস্কারকে বড় করে নিত্যনতুন ফতোয়া দেয়ার পাশাপাশি এখন লেগেছে ভাস্কর্য ধ্বংস করার চক্রান্তে।

এরা ইতিহাস জানে না। চেনে না আমাদের বীর ত্যাগী মানুষদের। যে মানুষেরা জানের ঝুঁকি নিয়ে এই দেশ স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন তাদের কথা আজ আমরা মনে রাখি না। সরকার মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেও কাজে ইতিহাস এখনো অধরা। বিশেষত তারুণ্য জানে না কী এর মূল্য? আসুন আজ এক ভদ্রলোকের সাথে পরিচিত হই। ভদ্রলোকের নাম আপনি না-ই জানতে পারেন তবে জানে দেশ, দেশের রক্তমাখা মাটি, বৃক্ষ, ফুল, অগণন তারকারাজি।

তার কোনো দায় ছিল না বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তিনি ছিলেন বিখ্যাত জুতা কোম্পানি বাটার সিইও। পুরো নাম উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড। বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রাক্কালে মনে হলো ওডারল্যান্ডকে স্মরণ করি। তাছাড়া গত ৬ ডিসেম্বর ছিল দার জন্মদিনও।

তখন বাটা একাই একশ। সত্তর সালে ঢাকায় পোস্টিং পাওয়া মানুষটির রক্তে ছিল স্বাধীনতার যুদ্ধ। তিনি জন্মেছিলেন আমস্টার্ডামে। এই ডাচ মানুষটিকে যৌবনের শুরুতেই পড়তে হয়েছিল নাৎসীদের কবলে। তাদের কুখ্যাত কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে দুঃসহ সময় কাটানোর সময় ও পরে তিনি শিখে নিয়েছিলেন গেরিলা যুদ্ধের কৌশল।

বাংলাদেশ তখন পূর্ব পাকিস্তান। আমি সবে হাইস্কুলের উঁচু ক্লাসের দিকে পা বাড়াচ্ছিলাম। আমার পরিষ্কার মনে আছে কী নির্যাতন আর বিভীষিকাময় ছিল দিনগুলি। আজ আপনারা সব বেমালুম ভুলে গেছেন। আজ প্রজন্মের পর প্রজন্ম বোঝেই না কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধ। পাকিস্তান প্রেম আর ধর্মীয় চেতনার নামে সাম্প্রদায়িকতা আঙুল ফুলে কলাগাছের সমাজে ভুলে বসে আছে দেশ মুক্ত হয়েছিল কীভাবে, আর না হলে পাঠান-পাঞ্জাবির পা মুছে পানি খেয়ে থাকতে হতো।

বাটা সু কোম্পানির মতো বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়াতে তার পশ্চিম পাকিস্তানে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ ছিল। এই সুবিধার কারণে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নীতিনির্ধারক মহলে অনুপ্রবেশ করার এবং বাংলাদেশের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করার। তিনি প্রথমে ঢাকা সেনানিবাসের ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেনেন্ট কর্নেল সুলতান নেওয়াজের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সখ্য গড়ে তোলেন। সেই সুবাদে শুরু হয় তার ঢাকা সেনানিবাসে অবাধ যাতায়াত। এতে তিনি পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ হতে থাকলেন আরো বেশি সংখ্যক সিনিয়র সেনা অফিসারদের সাথে। এর এক পর্যায়ে লেফটেনেন্ট জেনারেল টিক্কা খান, পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি, অ্যাডভাইজার সিভিল অ্যাফেয়ার্স মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীসহ আরো অনেক সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সাথে তার হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। নিয়াজির ইস্টার্ন কমান্ড হেডকোয়ার্টার তাকে ‘সম্মানিত অতিথি’ হিসাবে সম্মানিত করে। এই সুযোগে তিনি সব ধরনের ‘নিরাপত্তা ছাড়পত্র’ সংগ্রহ করেন। এতে করে সেনানিবাসে যখন-তখন যত্রতত্র যাতায়াতে তার আর কোনো অসুবিধা থাকল না। তিনি প্রায়ই সেনানিবাসে সামরিক অফিসারদের আলোচনা সভায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। এক পর্যায়ে তিনি পাকিস্তানিদের গোপন সংবাদ সংগ্রহ করা শুরু করলেন। এ সকল সংগৃহীত সংবাদ তিনি গোপনে প্রেরণ করতেন ২নং সেক্টরের ক্যাপ্টেন এ টি এম হায়দার এবং জেড ফোর্সের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের কাছে।

তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন উপায়ে সাহায্য করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গেরিলা কমান্ডো হিসেবে স্বীয় অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে স্বয়ং ২নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা শাখার সক্রিয় সদস্যরূপে অকুতোভয় ওডারল্যান্ড বাটা কারখানা প্রাঙ্গণসহ টঙ্গীর কয়েকটি গোপন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত গেরিলা রণকৌশলের প্রশিক্ষণ দিতেন। কমান্ডো হিসাবে তিনি ছিলেন অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। এক পর্যায়ে তিনি নিজেই জীবন বিপন্ন করে যুদ্ধে নেমে পড়েন। তিনি বাঙালি যোদ্ধাদের নিয়ে টঙ্গী-ভৈরব রেললাইনের ব্রিজ, কালভার্ট ধ্বংস করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত করতে থাকেন। তার পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে বহু অপারেশন সংঘটিত হয়। মেজর হায়দারের দেয়া এক সনদপত্রের সূত্রে জানা যায় যে, ওডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধে গণযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, নগদ অর্থ, চিকিৎসা সামগ্রী, গরম কাপড় এবং অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছেন।

এর পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধের গোড়ার দিকে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস নির্যাতন ও গণহত্যার আলোকচিত্র তুলে গোপনে বহির্বিশ্বের বিভিন্ন তথ্যমাধ্যমে পাঠাতে শুরু করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন। এ বিষয়ে তিনি নিজেই লিখেছেন, ইউরোপের যৌবনের অভিজ্ঞতাগুলো আমি ফিরে পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশে যা কিছু ঘটছে বিশ্ববাসীকে সেসব জানানো উচিত। ইউরোপে ফেলে আসা যুদ্ধস্মৃতির ২৯ বছর পর ১৯৭১ সালে টঙ্গীতে বর্বর পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে আবার তিনি সাক্ষাৎ পেলেন নাৎসি বাহিনীর। টঙ্গীতে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী দ্বারা নৃশংস হত্যাকাণ্ড, বীভৎস মরণযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করে তিনি ব্যথিত হন। তাই ওডারল্যান্ড ছবি তোলা রেখে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। যুদ্ধকালে তিনি প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। সে সময় তিনি ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান ডেপুটি হাইকমিশনের গোপন সহযোগিতা পেতেন। ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ শেষ হবার পর তিনি ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং পূর্বতন কর্মস্থলে যোগ দেন। তিনি ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করে নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান।

এই মানুষটি যুদ্ধের শুরুতেই টের পেয়েছিলেন বর্বর পাকিস্তানি সৈন্যরা কী করতে যাচ্ছে। প্রভাব ও কৌশল খাটিয়ে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পাক বাহিনীর বড় কর্তাদের বিশ্বাসভাজন হবার ভান করে মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন খবর জানিয়ে দিতেন। যখন বুঝলেন যুদ্ধ ছাড়া বাঙালির কোনো পথ খোলা নাই নিজেই নেমে পড়েছিলেন মাঠে। গেরিলা ট্রেনিং দিয়ে সংগঠিত করার পাশাপাশি হাতে অস্ত্র তুলে নেয়া এই মানুষটি পাকিদের হাতে মরলে অবাক হবার কিছু থাকত না। এমনকি তার কৌশল ধরা পড়ে গেলেও জান হারাতেন। অথচ কি আশ্চর্য বিশাল বিশাল দালান-কোঠা, গদী, ক্ষমতা, বিত্ত, পদ-পদবী পাওয়া কেউ তাকে মনে রাখে না। চেনেও না।

সিডনি বসবাসের শুরুতে না ছিল প্রচুর অর্থ না তেমন কোনো যোগাযোগ। তবু তার ফোন নাম্বার জোগাড় করে কথা বলতে চেষ্টা করেছিলাম। কিছুতেই ফোন ধরবেন না। বঙ্গবন্ধু হত্যা বিশেষত তাজউদ্দীন আহমদসহ চার নেতা হত্যার পর তিনি বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ ছিলেন। ঢাকা ছেড়ে চলেও আসেন কিছুদিন পর। সরকারি আমন্ত্রণেও যাননি। গুরুতর অসুস্থ শয্যাশায়ী মানুষটি বাংলাদেশের কথা শুনলেই স্পর্শকাতর হয়ে উঠতেন। তখন তার আবেগী হওয়া বারণ। তবু বারবার চেষ্টা করার পর তার স্ত্রীর মন গলে যাওয়ায় কয়েক মিনিট কথা হয়েছিল। সিডনি থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে এদেশের আরেক শহর পশ্চিমের পার্থ শহরে শায়িত মানুষটিই একমাত্র বিদেশি বীরপ্রতীক।

অজয় দাশগুপ্ত কলামিস্ট।

Previous Post

জলবায়ু পরিবর্তন: উন্নত দেশগুলোকে প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান

Next Post

সাম্প্রদায়িক শক্তি নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত সজাগ থাকতে হবে : শেখ ফজলে নূর তাপস

Barta71.com

Barta71.com

Next Post
সাম্প্রদায়িক শক্তি নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত সজাগ থাকতে হবে : শেখ ফজলে নূর তাপস

সাম্প্রদায়িক শক্তি নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত সজাগ থাকতে হবে : শেখ ফজলে নূর তাপস

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Follow Us

  • Trending
  • Comments
  • Latest
যৌন মিলনে পুরুষদের স্থায়িত্ব আসলে কয় মিনিট?

যৌন মিলনে পুরুষদের স্থায়িত্ব আসলে কয় মিনিট?

কুমিল্লায় ‘বাংলা নীল ছবি’

কুমিল্লায় ‘বাংলা নীল ছবি’

জেনে নিন, নারীর নজরে সবচেয়ে পছন্দের পুরুষ অঙ্গ কোনগুলি?

জেনে নিন, নারীর নজরে সবচেয়ে পছন্দের পুরুষ অঙ্গ কোনগুলি?

মেয়েদের খোলা পিঠ এমন বাংলা ছবি

মেয়েদের খোলা পিঠ এমন বাংলা ছবি

দুষ্টু’ শেয়ারবাজার দমনে ‘ওষুধ’ আসছে: অর্থমন্ত্রী

দুষ্টু’ শেয়ারবাজার দমনে ‘ওষুধ’ আসছে: অর্থমন্ত্রী

26
ডলার। ডুল্যান্সার

ডলার। ডুল্যান্সার

7
তাবলীগ জামাত না কি জঙ্গিবাদ?

তাবলীগ জামাত না কি জঙ্গিবাদ?

6

হরতাল

5
জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

বিশ্বকাপের শেষ আটে ইউরোপের দাপট

বিশ্বকাপের শেষ আটে ইউরোপের দাপট

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয়

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয়

Barta71.com

Online Newspaper in Bangladesh

ক্যাটাগরি সমুহ

  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • আঞ্চলিক সংবাদ
  • আন্তর্জাতিক
  • এক্সক্লুসিভ
  • খেলা
  • জাতীয়
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • পরিবেশ ও জলবায়ু
  • বিনোদন
  • মতামত
  • রাজনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • শিক্ষাঙ্গন
  • সাক্ষাতকার
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

সাম্প্রতিক খবর

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

  • প্রচ্ছদ
  • আমরা
  • যোগাযোগ

© 2020 বার্তা ৭১ ডট কম কর্তৃক সকল সত্ত্ব সংরক্ষিত।

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
  • খেলা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • লাইফস্টাইল
  • আইন ও অপরাধ
  • সাক্ষাতকার
  • আঞ্চলিক সংবাদ
  • পরিবেশ ও জলবায়ু
  • মতামত

© 2020 বার্তা ৭১ ডট কম কর্তৃক সকল সত্ত্ব সংরক্ষিত।