নিজস্ব প্রতিবেদক,বার্তা৭১ ডটকম: বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হামদুল ইসলামকে বানকো’র ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করা কোম্পানিগুলোতে হামদুল ইসলামের আত্মীয়-স্বজন প্লেসমেন্ট শেয়ার ধারণ করায় ২০১৫ সালের পাবলিক ইস্যু রুলসের ৩(২)(ডি) লঙ্ঘন হয়েছে বলে দাবি বিএসইসির। এ কারণে হামদুল ইসলাম ও তার পরিবারকে জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু বিএসইসির আইনে কোনো ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানের এমডির আত্মীয়-স্বজন শেয়ার ব্যবসা করতে পারবেন না, এমনটি নেই।
২০১৫ সালের পাবলিক ইস্যু রুলসের ৩(২)(ডি)-তে বলা হয়, ইস্যু ম্যানেজার ইস্যুয়ারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না এবং শেয়ার ধারণ করতে পারবেন না। যা ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই সংশোধনীতে বলা হয়, ইস্যু ম্যানেজার ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তি ইস্যুয়ারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না এবং শেয়ার ধারণ করতে পারবেন না।
ইস্যু ম্যানেজারের সংজ্ঞায় সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা ১৯৯৬ এর ২(ঞ) ধারায় বলা হয়েছে, মার্চেন্ট ব্যাংকার অর্থ এমন ব্যক্তি যিনি এই বিধিমালার অধীন করপোরেট উপদেষ্টা, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অবলেখক এবং ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে যাবতীয় কাজ করার জন্য নিবন্ধন সনদ প্রাপ্ত হইয়াছেন। আর ব্যক্তি অর্থ কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
বিএসইসির সংজ্ঞা অনুযায়ী, ইস্যু ম্যানেজার বানকো ফাইন্যান্স। যার সঙ্গে সম্পৃক্ত ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মালিকরা। কিন্তু বিএসইসি বানকো ফাইন্যান্সের ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার হামদুল ইসলামের আত্মীয়-স্বজন কেনার জন্য জরিমানা করেছে। কিন্তু এসবের কোনোটি থেকেই হামদুল ইসলাম শেয়ার কেনেননি। উল্লেখ্য বিষয়গুলোতে বানকো ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হামদুল ইসলাম বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও জরিমানা মওকুফের দাবি জানান ।
এমআই//আরএইচ/০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩











