বার্তা৭১ ডটকমঃ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে এই অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা সচিব সফিকুল আযম, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য আরাস্তু খান এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা।
শেষে জানানো হয়, প্রত্যেকে সংসদ সদস্য পাবেন ২০ কোটি টাকা করে। আগে তারা পেতেন ১৫ কোটি টাকা করে। এখন তা থেকে ৫ কোটি টাকা বাড়ছে। এ টাকা এমপিদের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের এলাকার উন্নয়নে ব্যয় করতে পারবেন।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক একটি প্রকল্পের আওতায় আগামী ৪ বছরে এ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় তাদের পছন্দমতো উন্নয়ন কাজ বেছে নেয়ার সুযোগ পান। এর আগে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রথম পর্যায়ে ২০১০ সালের ১০ মার্চ একনেক সভায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প, হাইটেক পার্কের জন্য মির্জাপুর ও মৌচাক স্টেশনের মধ্যবর্তী কালিয়াকৈর এ একটি বি ক্লাস স্টেশন নির্মাণ, ৬টি নতুন জাহাজ ক্রয় প্রকল্প, জাতীয় সংসদ ভবনের পূর্ত কাজ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক সিস্টেমের উন্নয়ন প্রকল্প, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, পুলিশ বিভাগের ১৯টি ইউনিটে ১৯টি অস্ত্রাগার নির্মাণ প্রকল্প, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৬০টি বিওপি নির্মাণ প্রকল্প, বর্ডার ম্যানেজমেন্ট ইক্যুপমেন্ট ফর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা বলেন, বর্ডার ম্যানেজমেন্ট ইক্যুইপমেন্ট ফর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় বিজিবির জন্য জিএসপি মেশিন উইথ কলিগ পজিশন, থার্মাল ইমেজিং বাইনোকুলার, ফগার মেশিন, নাইট ভিশন গোগলস, স্যাটেলাইট ফোনসহ প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস কেনা হবে। ফলে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মানবপাচার ও মাদক চোরাচালান কমে আসবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ১২৫ ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।












