
বার্তা৭১ ডটকমঃ মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরো ৮১ জন। এছাড়া একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরো ৬ হাজার ৫৮ জন।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে এপ্রিলের ১ তারিখ দৈনিক সংক্রমণ ৬ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে ৭ এপ্রিল করোনাকালের সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬২৬ জন রোগী শনাক্তের তথ্যও জানানো হয়। টানা কয়েকদিনে উপর-নিচ হয়ে সবশেষ গত ১৩ এপ্রিল এক দিনে ৬ হাজার ২৮ জন নতুন রোগী শনাক্তের খবর আসে। এর প্রায় ১০ সপ্তাহ পরে আজ ফের দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়ালো।
দেশে বর্তমানে ৫৫৪টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এর মধ্যে আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে হচ্ছে ১২৬টি পরীক্ষাগারে, জিন এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে ৪৬টি পরীক্ষাগারে এবং র্যাপিড অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ৩৮২টি পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন ৩ হাজার ২৩০ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন মোট ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৭৮৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ১ হাজার ২০৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৬৫৯ জন, রংপুর বিভাগের ১০০ জন, খুলনা বিভাগের ৪৯১ জন, বরিশাল বিভাগের ৮১ জন, রাজশাহী বিভাগের ৫৮৮ জন, সিলেট বিভাগের ৮৫ জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন ১৮ জন।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩০ হাজার ৯৯৪টি, আর গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা হয়েছে ৩০ হাজার ৩৯১টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪৬৬টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৪৬ লাখ ৯৭ হাজার ২৯০টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৭ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৬টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক শুন্য পাঁচ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৯ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৮১ জনের মধ্যে পুরুষ ৫৫ জন আর নারী ২৬ জন। দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পুরুষ রোগী মারা গেছেন ৯ হাজার ৯২০ জন আর নারী ৩ হাজার ৯৪৮ জন।
বয়স বিবেচনায় তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব আছেন ৩৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ১৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন নয়জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে আছেন নয়জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন আট জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে মারা গেছে একজন।
মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ১৩ জন, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে সাতজন করে, রাজশাহী বিভাগের ২০ জন, খুলনা বিভাগের ২৩ জন, সিলেট বিভাগের পাঁচজন এবং ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগে মারা গেছেন তিনজন করে। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৬২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৪ জন আর বাড়িতে মারা গেছেন পাঁচজন।









