
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলী সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ঢাকাবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। আপনাদের জন্য পাহারায় আমরা রয়েছি। ঢাকাবাসীর জন্য আওয়ামী লীগ সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীরা পাহারা দিবে। ওরা যদি কোন জায়গায় হাত দেয়, সেই হাত ভেঙে গুড়িয়ে দিতে হবে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তির সমাবেশে কাজী বশির মিলনায়তন ( ঢাকা মহানগর নাট্য মঞ্চ ) আওয়ামী লীগের নেতারা এসব কথা বলেন।
এসময় জাহাঙ্গীর কবির নানক বিএনপি’র উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ওদের একটি মাইরের ‘পেন্ডিং’ আছে। ২০০১ সালের বিএনপি- জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে খুন করেছে, হাত-পা কেটেছে, চোখ উপড়ে ফেলেছে, বাড়িঘরে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। কিন্তু নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল – কোন গোলযোগ করা যাবে না। আমরা সেদিন কোন প্রতিশোধ নেইনি। সেই মাইরটা কিন্তু ‘পেন্ডিং’ রয়েছে। সমাবেশের নামে কেউ বেশি বাড়াবাড়ি করলে সেই পেন্ডিং থাকা উত্তম- মাধ্যম কিন্তু শুরু হয়ে যাবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সমাবেশে আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আবদুর রহমান বলেন, আমাদের যদি আঙুল বাকা করতে হয়, তাহলে ওদের পাকিস্তান যেতে হবে। পাকিস্তানও ওদের নেবে না। তাহলে কি করতে হবে? ওদেরকে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দিতে হবে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, যারা আমাদের বলেছিল দেশে থাকতে পারবে না , সেই বিএনপি জামায়াত ষড়যন্ত্রকারীরা নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাদেরকে প্রতিবাদ নয় প্রতিরোধ করতে হবে। যে হাত দিয়ে আগুন সন্ত্রাসের কার্যক্রম চালাতে আসবে যে লাঠি দিয়ে আমাদের নেতা কর্মীদের উপর আঘাত করতে আসবে সেই লাঠি দিয়ে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।
সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, কেউ অরাজগত সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দিতে হবে। এজন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান করেন তিনি।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগে সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফির সভাপতিত্বের শান্তির সমাবেশের সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।











