
বার্তা৭১ ডটকমঃ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের সিনিয়র নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য করতে সরকার নীলনকশা করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন।
রবিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, সরকার যদি এ ধরনের নীল-নকশার বাস্তবায়ন করে তাহলে এর পরিণাম তাদের জন্য কখনো শুভ হবে না।
তিনি বলেন, সরকার জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আনছে। নীলনকশা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপিকে নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করার চেষ্টা চলছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে যদি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে রায় দেয়া হয় সেটাও অবিচার করা হবে।
আসাদুজ্জামান রিপন ‘খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে বাদ পড়বেন’ তথ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ‘হাসানুল হক ইনু প্রকৌশলী ছিলেন জানতাম। তবে তিনি যে জ্যোতিষী তা জানা ছিল না। এই ধরনের মাতলামি কথার নিন্দা জানাই। এ গুলো অসুস্থ লোকের প্রলাপ।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, মানবাধিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর থেকে প্রকাশিত কান্ট্রি প্রতিবেদনে যে তথ্য উঠেছে তা নিয়ে সরকার কোনো প্রতিবাদ দেয়নি। এতে ওই প্রতিবেদন সত্য বলে প্রতিয়মান হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, লালবাগ কেল্লা বিপন্ন হওয়ার পথে। সরকার লালবাগ কেল্লার দেয়াল ভেঙ্গে গাড়ি পার্কিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। তার প্রতিবাদ জানালে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। অথচ কেল্লার দেয়াল ভেঙ্গে গাড়ি পার্কিং করার কথা বলছে। সেখানে পার্কিং নয়, বিপনি বিতান করা হবে। অন্যদিকে সুন্দরবনে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন পরিবেশবাদী ও বিশিষ্টজনেরা। আমরাও বলেছি যদি এগুলো করা হয় তাহলে ওই অঞ্চলে শিল্পায়ন হবে না। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হবে।
সরকারের এ ধরনের পরিকল্পনাকে ‘তুঘলকী পরিকল্পনা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার একের পর এক তুঘলকী পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। যেখানে তারা জনগণের কথা ভাবছেন না।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হায়দার আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুববিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহদফতর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি প্রমুখ।












