
বার্তা৭১ ডটকমঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ আন্তরিকতার সাথে দেশের উন্নয়ন চায়। কারণ দলটি দেশের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। দেশের উন্নতি করাই আওয়ামী লীগের কর্তব্য। ইনশাল্লাহ, আমরা তা করে যাব। আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন। আমরা যেভাবে দেশের উন্নতি করবে, আর কেউ তা পারবে না।’
মঙ্গলবার হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে সর্ব ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউরোপের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নতি হবে, অন্যরা আসলে অবনতি হবে। মানুষ উন্নতি চায়? নাকি অবনতি? – এই প্রশ্নটা করতে হবে।’
২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে। বিএনপি জোটের বর্জনের মধ্যে ওই নির্বাচন নিয়ে সে সময় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠলেও সরকারের মেয়াদের প্রায় তিন বছর পার করে ইতোমধ্যে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে শেখ হাসিনার দল।
পানি সম্মেলন উপলক্ষে হাঙ্গেরি সফররত প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বুদাপেস্টের ফোর সিজনস হোটেল গ্রেশাম প্যালেসে প্রবাসীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসেও একই আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, পানি সম্মেলনে যোগ দিতে গত রবিবার বুদাপেস্টে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তিন দিনের সফর শেষে বুধবার তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
প্রবাসীদের প্রত্যেককে বাংলাদেশের ‘একেকজন রাষ্ট্রদূত’ হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে হবে।’
২০১৯ সালে অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে সবাইকে সেজন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন তিনি। ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে সবার সঙ্গে আলোচনা করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবও দিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে ২০১৫ সালের শুরুতে বিএনপির টানা ৯২ দিনের হরতাল-অবরোধের সময় নাশকতায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে, তারা দেশের মানুষকে কী দেবে? যারা মানুষের জীবন নিয়ে খেলে, তাদের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কেন?’










