
ঢাকা, ১৩ আগস্ট: বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা সোমবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে সাক্ষাত করে ‘গ্রামীণ ব্যাংক কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে’ নিজ দেশের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সচিবালয়ে দুই ঘন্টার সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান রাষ্ট্রদূত। সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেন অর্থমন্ত্রী।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানটির জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নির্ভরযোগ্য নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে তারা আলাপ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘‘ব্যাংকটিকে দক্ষ ও কার্যকর রাখতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নির্ভরযোগ্য নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিষয়ে মন্ত্রীর জোরালো সমর্থনে আমি উৎসাহিত।’’
রাষ্ট্রদূত বলেন, তারা বাংলাদেশের উন্নয়নে নোবেলবিজীয় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেছেন।
মজিনা বলেন, ‘‘শক্তিশালী ও কার্যকর হিসেবেই ব্যাংকটিকে টেকসই করার গুরুত্বের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। ব্যাংকটিতে ঋণগ্রহীতাদের নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এর অতুলনীয় পরিচালনা কাঠামো অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি।’’
প্রসঙ্গত, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানটির ৮৪ লক্ষ সদস্য- যাদের অধিকাংশই নারী, তাদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি হিসেবে
ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে থাকেন ৯ সদস্য। পরিষদের বাকি ২ জন সদস্য ও চেয়ারম্যান সরকার মনোনীত। বিদ্যমান আইনে এই পরিচালনা পরিষদের কাছে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ সহ অন্য ক্ষমতা থাকলেও সম্প্রতি সরকার আইনটি সংশোধনে অনুমোদন দিয়েছে।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে চেয়ারম্যান পরিচালনা পরিষদের ‘পরামর্শে’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের জন্য ৩ জনের প্যানেল ঠিক করবেন। যা কার্যত ব্যাংকটির সরকার নিযুক্ত চেয়ারম্যানকেই এমডি নিয়োগের ক্ষমতা দেবে বলে বলে আসছেন দেশের ক্ষুদ্র ঋণ সমর্থকরা এবং আমেরিকার সরকার।











